Web Design & HTML পার্ট ০১

 শিক্ষার্থী বন্ধুরা কেমন আছো সবাই ✌️। 

আবার সকল পাঠ্য কার্যক্রম বন্ধ,  প্রায় শিক্ষার্থীরা আরামে দিন কাটাচ্ছো।  চলো এই ফাকে আমরা HTML এবং Web Design অংশটুকু শেষ করে ফেলি 

প্রথমে Web Page এবং Website এর বেসিক বিষয় গুলো নিয়ে আলোচনা করা যাক। এই সিরিজে  HTML এবং ওয়েব ডিজাইন সম্পূর্ণ আলোচনা করা হবে।  এই সিরিজ টি পার্ট অনুযায়ী করা হবে। সকলেই আমাদের ওয়েব সাইট  ফলো করে রাখো পরবর্তী পার্ট গুলো সবার আগে পাওয়ার জন্য ।  তো দেরি কেনো শুরু করা যাক -



ওয়েব ডিজাইন পরিচিতি এবং এই সম্পর্কিত বিভিন্ন টার্ম সমূহঃ


ওয়েব পেইজঃ

ওয়েবসাইটের স্বতন ফোন পেজকে ওয়েবপেজ বলে।ওয়েবপেইজ হলাে এক ধরনের ওয়েৰ ৰা ইলেকট্রনিক ডকুমেন্ট যা সাধারণত HTML (Hypertext Markup Language) এ লেখা এবং বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা হয়। যেকোন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ব্রাউজারের সাহায্যে URL এর মাধ্যমে যেকোন জায়গা থেকে পেতে পারে। একটি ওয়েবপেইজে টেক্সট, ইমেজ, ফাইল, অডিও, ভিডিও এবং এনিমেশন ইত্যাদি থাকতে পারে।


ওয়েবসাইটঃ

একই ডোমেইনের অধীনে সাভারে রাখা পরস্পর সংযুক্ত এক বা একধিক ওয়েবপেইজের সমষ্টিকে ওয়েবসাইট বলে। কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে প্রথম যে ওয়েব পেইজটি প্রদর্শিত হয় তাকে হােম পেইজ বলে। 

Example: www.aucm.edu.bd



ওয়েবসাইটের সুবিধা:


১. সল্প ব্যায়ে কোন প্রতিষ্ঠান তাদের প্রসারের জন্য ওয়েবসাইট প্রকাশ করতে পারে।


২. ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য যে কেউ যেকোনাে স্থান থেকে যে কোন সময় দেখতে পারে।


৩. ওয়েবসাইটে লেখার পাশাপাশি ছবি, গ্রাফিক্স, অডিও, ভিডিও ও এনিমেশন যুক্ত করা যায়।


৪. ওয়েবসাইটে তাৎক্ষণিক তথ্য প্রকাশ করা যায়।


৫. ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের অনেক সময়

 বাঁচায়।


৬. ওয়েবসাইট থেকে প্রয়ােজনীয় তথ্য ডাউনলোড করা যায়।


৭. ঘরে বসে থেকে কোন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়া যায়।


৮, ঘরে বসে বাস, ট্রেন, প্লেনের টিকেট কাটা যায়।


১. হসপিটালে বা হোটেলের সাইটে ঢুকে রুম বুকিং দেওয়া যায়।


ওয়েবঃ

ইন্টারনেট ব্যবহার করে ওয়েবসাইট থেকে তথ্য নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ওয়েব। ওয়েব কে www (World Wide Web) ও বলা হয়। সকল উন্মুক্ত ওয়েবসাইটগুলােকে সমষ্টিগতভাবে World Wide Web নাম দেওয়া হয়েছে। টিম বার্নার্স-লি WWW এর জনক হিসাবে বিবেচিত হয়।


সার্ভার/ সার্ভার কম্পিউটারঃ


সার্ভার হলাে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত অপেক্ষাকৃত বেশি শক্তিশালী কম্পিউটার যেখানে ডাটা এবং সার্ভার সফটওয়্যার সংরক্ষিত থাকে এবং

নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যে অন্যান্য কম্পিউটারকে (যাকে ক্লায়েন্ট বা ওয়ার্কস্টেশন বলা হয়) ডেটা সার্ভিস দিয়ে থাকে। সার্বক্ষণিক

ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত এবং অন অবস্থায় থাকা এসব কম্পিউটারে বিভিন্ন ওয়েবসাইট সংরক্ষন করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন ধরণের সার্ভার

রয়েছে। যেমন- ওয়েব সার্ভার, মেইল সার্ভার, ফাইল সার্ভার ইত্যাদি।


ক্লায়েন্ট কম্পিউটারঃ


যে সকল  কম্পিউটার সার্ভারের সংরক্ষিত ডেটা ব্যবহার করে থাকে ক্লায়েন্ট বলা হয়। ক্লায়েন্ট কম্পিউটারে বিভিন্ন ক্লায়েন্ট সফ্টওয়্যার ব্যবহার করা হয়। 

উদাহরণস্বরূপ: ওয়েব ব্রাউজার (Google Chrome, Opera, Firefox ইত্যাদি) হলাে এক ধরণের ক্লাযেন্ট সফ্টওয়্যার যা

ওযেৰ সার্ভারের সাথে সংযােগ করে এবং ওয়েবপেইজ প্রদর্শন করে থাকে। ই-মেইল ক্লায়েন্ট মেইল সার্ভার থেকে ই-মেইল প্রদর্শন করে।


প্রোটোকলঃ 


কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে যােগাযােগের নির্দিষ্ট নিয়মনীতিকে প্রােটোকল বলা হয়। অর্থাৎ একটা কম্পিউটার থেকে কি অদান প্রদান করা হবে, কখন আদান প্রদান করা হবে, কিভাবে আদান প্রদান করা হবে তা একটি প্রােটোকল নির্ধারণ করে থাকে। বিভিন্ন

প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের প্রােটোকল তৈরি করেছে। যেমনঃ

→ HTTP -  Hyper Text Transfer Protocol

HTTPS-  Hyper Text Transfer Protocol       Secure

→ FTP -  File Transfer Protocol

IP -  Internet Protocol

TCP-   Transmission Control Protocol

→ SMTP-  Simple Mail Transfer Protocol

→ VOIP- Voice over Internet Protocol


❤️❤️ 2nd Part Comming.....